পেটের মেদ কমানোর সহজ ৯টি উপায়!

পেটে মেদ বা চর্বি হলে চলা-ফেরায় যেমন কষ্ট হয়, তেমনি নষ্ট হয় সৌন্দর্যও। অনেকে আছেন খুব বেশি মোটা না কিন্তু পেটে অনেক মেদ কিংবা দেহের কিছু কিছু স্থানে মেদ জমায় খুবই অস্বস্তি বোধ করেন। কোনো ভালো পোশাক পড়লেও ভালো লাগে না। শরীরের এই বাড়তি মেদ কিভাবে দূর করা যায় তার কয়েকটি সহজ উপায় পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

১। প্রতি সকালে লেবু দিয়ে শুরু করুন। পেটের মেদ কমাতে এই পদ্ধতিটি অন্যতম কার্যকর উপায়। এক গ্লাস হালকা গরম জলে সামান্য লবণ এবং কিছুটা নুন দিন। আপনি চাইলে কিছুটা মধু যোগ করতে পারেন। তবে চিনি যোগ করবেন না। প্রতিদিন সকালে পান করুন। এই পানীয় আপনার বিপাক বৃদ্ধি করে পেটের মেদ কমাতে সহায়তা করবে।

২) সাদা ভাত কম খান বা কিছুক্ষণ সাদা ভাত খেতে দিন। সাদা ভাতের পরিবর্তে, আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন গমের জাত অন্তর্ভুক্ত করুন। এছাড়াও, আপনি লাল চালের চাল, গমের রুটি, ওটস, অন্যান্য শস্য যোগ করতে পারেন।

৩। চিনিযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকুন, অর্থাত না চিনি। এছাড়াও মিষ্টি, চকোলেট, আইসক্রিম, সিডার, সেমাই ইত্যাদি মিষ্টি থেকে কিছু বিদায় নিন ৪। উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার এবং কোল্ড ড্রিঙ্কস শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফ্যাট সংরক্ষণ করে। আমাদের পেট বা উরুর মতো। সুতরাং আপনি বুঝতে পারেন যে এই খাবারগুলি তালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত।

৫। আপনি যদি পেটের চর্বি অপসারণ করতে চান তবে আপনার প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে জল পান করা উচিত। এটি দেহের বিপাক বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরে টক্সিন নির্মূল করবে। এজন্য পানিকে প্রাকৃতিক ক্লিনজার বলা হয়। ৬। সকালে কাঁচা রসুনের এক বা দুটি মুকুল খান। তারপরে লেবুর রস পান করুন। এই চিকিত্সা আপনাকে ওজন হ্রাস করতে এবং দেহে রক্তের প্রবাহকে স্বাচ্ছন্দ্যে সহায়তা করবে।

৭। পেটের চর্বি হ্রাস না হওয়া অবধি মাংস, মাছ, ডিম, দুধ – নন-ভেজিযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে। তবে এক টুকরো মাছ ত্বক না রেখেই খাওয়া যায়।

৮। প্রতিদিন সকালে এবং বিকেলে ফলমূল ও শাকসবজি খান। তবে এক্ষেত্রে পানির জাতীয় ফল বেছে নিন। এই অনুশীলনটি আপনার শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন এবং খনিজগুলির ঘাটতি পূরণ করবে।

৯। সলডার খাবার খান। আশ্চর্য? অবাক হবেন না সোল্ডার খাও তবে সৈন্যরা দারচিনি, আদা, কালো মরিচ এবং কাঁচামরিচ থেকে আসবে। এগুলি রান্নায় ব্যবহার করুন। এই মশলা স্বাস্থ্যকর। এগুলি শরীরের ইনসুলিন সরবরাহ বাড়ায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। তাই এগুলি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও খুব উপকারী।

ব্যায়াম হ’ল সবকিছু করার পরে আপনার যা করা দরকার। ফ্যাট হ্রাস করার জন্য কোনও অনুশীলনের বিকল্প নেই। শরীর ফিট রাখতে আপনাকে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

About admin

Leave a Reply