ইন্টারনেট-কিভাবে-আবিষ্কার-হয়

ইন্টারনেট কি? কিভাবে কাজ করে? [ ইন্টারনেটের ইতিহাস ]

ইন্টারনেট কি ও কিভাবে ইন্টারনেট কাজ করে এটা জানাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে ইন্টারনেটে বিভিন্ন কাজ কর্ম করে থাকে এবং নানা রকম ওয়েবসাইটে ভিজিট করে থাকে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য। কিন্তু এর মধ্যে অনেকেই জানে ইন্টারনেট কি এটা কিভাবে আবিষ্কার হয়েছে? ও ইন্টারনেটের উৎপন্ন কোথায় ইত্যাদি। ইন্টারনেটে ভালো মন্দ অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যার মাধ্যে ডার্ক ওয়েবসাইট সবচেয়ে ভয়ংক। যেটার মধ্যে সাধারণ কোনো মানুষ ভিজিট করতে পারে না তার জন্য প্রয়োজন বিশেষ নলেজ এবং তথ্য ও প্রযুক্তি।

আপনি অনলাইনে যেকোনো কাজ করার জন্য প্রয়োজন ইন্টারনেট সংযুগ। আপনি ইন্টারনেট ছাড়া অনলাইনে কোথাও এক্সেস করতে পারবেন না।

আজ এই বিশ্ব ইন্টারনেট ছাড়া চলতে পারে না কিন্তু যখন ইন্টারনেটের প্রচলন কম ছিলো তখন মানুষ ইন্টারনেটকে অনেকে খারাপ ভাবে দেখত আবার অনেকে ভালো ভাবে দেখত। এর কারণ হচ্ছে ইন্টারনেটে মানুষ ভালো কাজের পাশাপাশি খারাপ কাজগুলোর সাথে জড়িত হয়ে যায়। যাইহোক ইন্টারনেট ছাড়া মানুষ এখন অনেকটা একা হয়ে যায়। ইন্টারনেট ছাড়া যেন মানুষের এক মূহুর্ত চলে না।

ইন্টারনেট সম্পর্কে জানা সবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তাই আপনাদের জন্য ইন্টারনেট সম্পর্কে একটি আর্টিকেল নিয়ে আসলাম। আশা করি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে। তাহলে চলুন জেনে নেই ইন্টারনেটের বিভিন্ন ব্যাখ্যা।

ইন্টারনেট কি ?

আপনি যদি ইন্টারনেটকে বাংলায় সহজভাবে জানতে চান তাহলে তার প্রতিশব্দ হবে আন্তর্জাল। যেটা সারা বিশ্ব জোড়ে জুড়ে বিস্তৃত ও কতগুলো নেটওয়ার্কের সমষ্টি। ইন্টারনেট হচ্ছে ইন্টারকানেকটেড নেটওয়ার্কের (Interconnected Network)-সংক্ষিপ্তরূপ। আর এই ইন্টারনেট ১৯৮৯ সালে আইএসপি দ্বারা পৃথিবীর সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

what-is-internet

ইন্টারনেটের প্রত্যেকটা তথ্য আদান-প্রদানের জন্য আইপি এড্রেসের প্রয়োজন হয়। আর এই আইপি এড্রেস দ্বারা তথ্য আদান-প্রদান করার জন্য প্রামাণ্য ব্যবস্থা রয়েছে। যার মাধ্যমে একজনের তথ্য সঠিক মানুষ ছাড়া অন্য মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার কোনো চ্যান্স নেই।

আপনার কোনো তথ্য কম্পিউটার বা ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযুগ দিয়ে অন্য ডিভাইসে বা কম্পিউটারে পাঠানোর জন্য আইপি এড্রেসের প্রয়োজন হয়।

এখন আপনার কাছে একটি প্রশ্ন জাগতে পারে আইপি এড্রেস কি ? IP-হচ্ছে (Internet Protocol)-এর সংক্ষিপ্তরূপ। যেটাকে সবাই সংক্ষিপ্তে আইপি এড্রেস বলে থাকে। আপনি যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনার আইপি এড্রেসের প্রয়োজন হবে। এই আইপি এড্রেস প্রতিটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কাছে আছে।

আরো পড়ুন-

আইপি এড্রেস সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার ডিজিট থাকে ৩২ বিট। আর ৩২ বিট আইপি এড্রেসকে ৪ ভাগেভাগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে আইপি এড্রেসকে দুটি ভার্সনে বিভক্ত করা হয়েছে ১। (IPV4) ২। (IPV6)। সাধারণত ৩২ বিটের আইপি এড্রেসকে IPV4-দ্বারা প্রকাশ করা হয়। দিনের পর দিন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে এবং অব্যবহৃত অ্যাড্রেস কমতে থাকায় ১৯৯৫ সালে নতুন আইপি এড্রেসিং চালু করা হয় যেটা হচ্ছে আইপিভি৬।

আর এই IPV6-কে ১২৮ বিট সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সাধারণ মানুষ যেন আইপি এড্রেস সংখ্যা বুঝতে পারে তার জন্য বাইনারি নাম্বার দ্বারা আইপি এড্রেস প্রকাশ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ আইপি এড্রেস- 180.210.130.13 (IPV4) এবং 2001:db8:0:1234:0:567:1:1 (IPV6)।

ইন্টারনেটের ইতিহাস

১৯৫০ সালে এক বিজ্ঞানির মাথায় ইন্টারনেট আবিষ্কারের প্রথম ধারণা জাগে। কম্পিউটার বিজ্ঞান অধ্যাপক লিওনার্ড ক্রাইনরক তার গবেষণাগার- ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস (ইউসিএলএ) থেকে অর্পানেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআরআই) –তে একটি বার্তা পাঠান।

১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টি করার পর যার নাম ছিলো (ARPA)। প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে তৈরি করা হয় আরপানেট (ARPANET)। কম্পিউটার বিজ্ঞানি লিওনার্ড ক্রাইনরকের এই তথ্য পাঠানো ছিল ইন্টারনেট জগতের প্রথম কোনো তথ্য।

তখনকার সময়ে বৈজ্ঞানিক এই আবিষ্কারটি ছিল সবচেয়ে সেরা। কিন্তু মানুষ তখন এই আবিষ্কারের ব্যবহার ভালো মতো শুরু করেনি। ৭০ দশকের সময়ে ইন্টারনেট আবিষ্কারটি সবার জন্য ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠে।

আশির দশকে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আবিষ্কার করা হয় যেটা হচ্ছে ডোমেইন। বিভিন্ন ধরণের ডোমেইন আবিষ্কার করা হয় .Com ও .Org । এই আবিষ্কারের ফলে এক সময় বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

এর পাশাপাশি ১৯৮০ সালেই ইউরোপের গবেষক, টিম বার্নাস লি WWW-বা World Wide Web-আবিষ্কার করেন এবং তিনিই ১৯৮৯ সালে HTTP-বা HyperText Transfer Protocol-আবিষ্কার করেন। এরপর থেকেই শুরু হয় ইন্টারনেটের ব্যবপক ব্যবহার যা আমরা সারাদিন ব্যবহার করে থাকি। ১৯৯০ এর দশকে পশ্চিমাবিশ্বে ব্যাপকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু হয়।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কাকে বলে ?

ইন্টারনেট দিয়ে আন্তঃসংযোগকৃত সকল ধরণের তথ্যের ভান্ডার যা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। (World Wide Web – WWW)-এর সংক্ষিপ্তরূপ হলো দ্যা ওয়েব। ১৯৮৯ সালে ব্রিটিষ বিজ্ঞানী ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিমথি বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার করেন।

ইন্টারনেট-কিভাবে-আবিষ্কার-হয়

এছাড়া পূর্ববর্তী সময় বার্নার্স-লি ১৯৮০ সালে হাইপারটেক্সট সিস্টেম আবিষ্কার করেছিলেন এবং সেই সূত্র ধরে তিনি নতুন একটি নতুন উদ্ভাবন ঘটান যেটা হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। তিনি তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে আরো অনেক কিছু আবিষ্কার করেছেন যার মধ্যে এইচটিএমএল (HTML)-অন্যতম। আর এই HTML-এর সম্পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Hypertext Markup Language।

এইচটিটিপি (HTTP)-ও এইচটিএমএল (HTML)-হলো এমন একটি সিস্টেম যার উপর ভিত্তি করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কাজ করে। এইচটিটিপি এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের কাছে ওয়েবপেজের জন্য প্রস্তাব করে এবং এইচটিএমএল এর মাধ্যমে ওয়েবপেজে থাকা সকল ধরণের কনটেন্ট পড়তে পারে ও প্রদর্শন করতে পারে। আশা করি বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।

সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে ?

সারা বিশ্বের বিভিন্ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে কিন্তু কাউকে ইন্টারনেট নিয়ে কোনো প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে পারে না। আপনি যদি কাউকে বলেন ইন্টারনেট কি এবং এটা কিভাবে কাজ করে সে হয়তো বলতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কাজ করে অথবা বলবে তার এটা সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।

আসলে প্রায় ৯৯% ইন্টারনেট কাজ করে অপটিক্যাল ক্যাবলের মাধ্যমে এবং বাকি ১% এর মতো কাজ করে স্যাটেলাইটের সাহায্যে।

ইন্টারনেট-কি-ভাবে-কাজ-করে

আপনি হয়তো আমার এই কথাটা শুনে একটু হেসেই ফেললেন। আপনি হয়তো ভাবছেন আমিতো কোনো তার বা অপটিক্যাল ক্যাবল ছাড়াই কম্পিউটার বা মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করছি।

তাহলে জেনে নিন ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে– মনে করেন আপনি একটি ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে চাচ্ছেন এখন আপনার ডিভাইস দিয়ে যে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ভিজিট করবেন সেটা একটি টাউয়ার থেকে আসে।

প্রতিটি টাওয়ারের সাথে অপটিক্যাল ক্যাবল সংযোগ করা আছে। আর সেই অপটিক্যাল ক্যাবল টাউয়ারে লাগিয়ে দেয়া হয় এবং টাউয়ার থেকে নির্দিষ্ট একটা এরিয়া পর্যন্ত নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়।

আপনি অনেক সময় লক্ষ্য করে দেখবেন বিভিন্ন জঙ্গলের গভীরে গেলে সেখানে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। কারণ সেখানে কোনো এমন একটি টাউয়ার নেই যার মধ্যে অপটিক্যাল ক্যাবল বা সাবমেরিন লাগানো আছে। সাধারণত সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন লাইন নিয়ে আসা হয়। আর লাইনগুলো বিভিন্ন কোম্পানি নিয়ে আসে।

ইন্টারনেট কি কি কাজে লাগে ?

আজকের এই বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ দিন দিন অলস হয়ে পড়ছে এর প্রধান কারণ হচ্ছে বিভিন্ন ধরণের কাজ এখন খুব সহজেই প্রযুক্তির মাধ্যমে করা যায়।

এখন অনলাইনে আপনি বিভিন্ন কাজ করতে পারেন যেমনঃ খাবার সংগ্রহ, গাড়ি বা বিমানের টিকেট বুকিং, কোনো পরিশ্রম ছাড়াই এক স্থান হতে অন্য স্থানে অর্থ আদান-প্রদান ও ভিডিও কথা বলা ইত্যাদি। আসলে চাইলেই আপনি ঘরে বসে পৃথিবী ঘুরে দেখতে পারেন শুধুমাত্র একটা ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে।

এখন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার রেজাল্টের জন্য আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয় না চাইলে ঘরে বসেই পরীক্ষার রেজাল্ট জেনে নেওয়া যায়। আর এইসব কাজ কিভাবে করা হয়? আসলে সবকিছুই এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা হয়।

শুধু তাই নয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন মানুষের আর টাকা পয়সা কামানোর জন্য বাইরে বের হতে হয় না, ঘরে বসেই ব্যবসা ও চাকরি করা যায়। তাহলে ভাবুন পৃথিবী এখন কতটা আপডেট হয়েছে এবং কত দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

ইন্টারনেটের সুবিধা

পূর্বে মানুষ যে কাজগুলো কঠিন পরিশ্রমের মধ্যে করত আজ ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই করতে পারছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো পরিশ্রম ছাড়াই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তথ্য পৌঁছানো যায়।

প্রযুক্তির উন্নতির কারনে মোবাইলে দিয়ে মানুষ এখন নানা ধরণের কাজ করতে পারছে ইন্টারনেটের সাহায্যে। দিন দিন ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে যার ফলে মানুষ আরো বেশি দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান করতে পারছে। একটি স্মার্ট ফোন হাতে রেখে মানুষ ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর যাবতীয় বার্তা নিতে পারছে।

আপনি যে কাজটি এক সময় শহর অঞ্চলে যেয়ে করতেন আজ সে কাজটি ঘরে বসেই করতে পারছেন। আপনার কোনো খাবারের প্রয়োজন হলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইনে অর্ডার করলেই পেয়ে যাচ্ছেন।

এছাড়া জামা কাপড় কেনার জন্য এখন মার্কেটে যেতে হয় না চাইলে ঘরে বসে অনলাইনে অর্ডার করেই পেয়ে যেতে পারেন। আর এই সকল ধরণের কাজ করতে পারছেন ইন্টারনেটের সাহায্যে।

ইন্টারনেটের কুফল

কোনো জিনিষের ভালো দিক থাকলে খারাপ দিকও থাকে। আসলে বিষয়টা ঠিক তা নয়, মানুষের ভালোর জন্যই অনেক কিছু তৈরি করা হয়েছে কিন্তু কিছু খারাপ মানুষের কারণে ভালো কাজগুলো সঠিক ভাবে ব্যবহার না হয়ে খারাপের দিকে ব্যবহার হতে থাকে।

হ্যাঁ! ইন্টারনেটে বিভিন্ন আজেবাজে জিনিস পাওয়া যায় কিন্তু এগুলো কাদের জন্য পাওয়া যায়? আসলে খারাপ মানুষগুলো কিছু জিনিসের সঠিক ব্যবহার না জানার কারণে অসতকাজে নিয়ে যায়। তাই আমি বলব আপনি আমি সচেতন থাকলে ইন্টারনেটের অপব্যবহার হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।

এছাড়া ইন্টারনেটের জন্য মানুষের অলসতা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে যার কারণে মানুষ পরিশ্রম কম করছে ফলে মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করছে। তাই আমাদের সকলের উচিৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে সব ধরণের কাজ না করে কিছু কাজ পরিশ্রম করে করা।

আপনার যে কাজটি ইমারজেন্সি সেই কাজগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে করবেন। বেশি ইন্টারনেটে ব্যবহার করার কারণে অনেকের হার্টের অসুবিধা হয়। তাই বেশি প্রয়োজন ছাড়া ইন্টারনেট চালনু ঠিক না। আশা করি আপনি ইন্টারনেটের সুফল ও কুফল সম্পর্কে বুঝতে পারছেন।

সর্বশেষ,

ইন্টারনেট নিয়ে আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন। সবাই চেষ্টা করবেন সঠিকভাবে ইন্টারনেটকে কাজে লাগাতে। ইন্টারনেটের খারাপ কাজগুলো থেকে বিরত থাকবেন। আশা করি সবাই ইন্টারনেটের ব্যাখ্যা ও এর উৎপন্ন এবং ইন্টারনেটের জনক সম্পর্কে জানতে পেড়েছেন। আজ এ পর্যন্তই।

Leave a Comment